ঢাকা–১২ আসনের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান সম্প্রতি জনতার কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেন, একটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় প্রয়োজন, যা এককভাবে বহন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এই কারণে তিনি জনতার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহযোগিতা কামনা করেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে…
নির্বাচন ব্যয়ে টাকা চাইলেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান
ঢাকা–১২ আসনের আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়ে দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান সম্প্রতি জনতার কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেন, একটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে উল্লেখযোগ্য ব্যয় প্রয়োজন, যা এককভাবে বহন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এই কারণে তিনি জনতার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন। লাইভে তারেক রহমান বলেন, “২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের পর থেকে আপনারা আমার রাজনৈতিক পথচলা প্রত্যক্ষ করে আসছেন। বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রাম ও সংকটময় সময়ে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থেকেছি। বিপদের মুহূর্তে আপনাদেরও পাশে পেয়েছি। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ভাইয়েরা, ব্যবসায়ী সমাজ এবং চাকরিজীবী ভাই-বোনদের সহযোগিতায় আমি বহুবার কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আজ সেই আস্থার জায়গা থেকেই ঢাকা–১২ আসনের নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য জনতার সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমি আমার নির্বাচনী কার্যক্রম সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারব। আপনারা পাশে থাকলে ঢাকা–১২ আসনে নির্বাচনে জয় অর্জন সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সমর্থন ও পাশে থাকা আমার জন্য শক্তি ও অনুপ্রেরণা।”
তারেক রহমানের এই আহ্বানকে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ জনগণ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। নির্বাচনী ব্যয় নিয়ে তিনি স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চান এবং জনসাধারণের সহযোগিতার উপর জোর দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, নির্বাচনী কার্যক্রমে জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থন তাকে জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রবাসী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবী সমাজের সহযোগিতার উপর নির্ভর করে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচেষ্টা শক্তিশালী হতে পারে। এর পাশাপাশি, জনতার সঙ্গে তার যোগাযোগ ও বিশ্বাসের সম্পর্ক নির্বাচন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে।

