Jamuna state guest house and Gulshan residence of Prime Minister Tarique Rahman

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠছেন না। সরকারি বাসভবন প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তিনি গুলশানের নিজস্ব বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের বাসায় থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই দেশে ফেরার পর তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই উঠেছেন এবং বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন।…

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যমুনায় উঠছেন না

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উঠছেন না। সরকারি বাসভবন প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তিনি গুলশানের নিজস্ব বাসাতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজের বাসায় থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই দেশে ফেরার পর তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতেই উঠেছেন এবং বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন। বাসাটি আগেই তার বসবাসের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।


যদিও প্রধানমন্ত্রী সেখানে বসবাস করবেন, তবে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকছে না। সরকারি অনুষ্ঠান, কূটনৈতিক বৈঠক এবং গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনগুলো রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাতেই অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে কূটনীতিক ও আলেম-ওলামাদের সম্মানে দুইটি ইফতার অনুষ্ঠান সেখানে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানও যমুনায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


প্রায় ১৭ বছর পর ২০২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। দেশে ফিরে তিনি গুলশানের এই বাড়িতেই সপরিবারে বসবাস শুরু করেন। এই বাড়িটির পাশেই ‘ফিরোজা’ নামের আরেকটি বাড়িতে বসবাস করতেন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
ঐতিহাসিকভাবে বাড়িটি গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তার সহধর্মিণী খালেদা জিয়াকে এই বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।


গত বছর বাড়িটির মালিকানা সংক্রান্ত দলিলপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ছিলেন সাবেক গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং রাজউক চেয়ারম্যান রিয়াজুল ইসলাম রিজু।
এর আগে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনের পর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানায়, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সংস্কার শেষে সেটিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। সে অনুযায়ী ভবনটিকে প্রস্তুতও করা হয়।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *