Earthquake tremors felt in India and Pakistan as seismic activity strikes the region

বাংলার জনকণ্ঠ নিউজ ডেস্কপ্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানে দফায় দফায় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে পাকিস্তানে ৫ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল তাজিকিস্তান–শিনজিয়াং সীমান্তবর্তী অঞ্চল। পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫৯ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক…

১২ ঘণ্টায় ৯ বার ভূমিকম্পে কাঁপলো ভারত, পাকিস্তান


বাংলার জনকণ্ঠ নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬,
দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানে দফায় দফায় ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে পাকিস্তানে ৫ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল তাজিকিস্তান–শিনজিয়াং সীমান্তবর্তী অঞ্চল।


পাকিস্তানের আবহাওয়া বিভাগ (পিএমডি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫৯ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, এই কম্পনের প্রভাব পাকিস্তান ছাড়াও তাজিকিস্তান, চীন ও আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে অনুভূত হয়েছে।


পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ইসলামাবাদ ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রবল কম্পন অনুভূত হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পাকিস্তান তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিকে অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে দেশটিতে যথাক্রমে ৫ দশমিক ৫ ও ৩ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল।


একই সময়ে ভারতের গুজরাট রাজ্যের রাজকোট জেলায় ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে মোট ৯ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত এই কম্পনগুলো রেকর্ড করা হয়।


রিখটার স্কেলে কম্পনগুলো ‘মাইক্রো’ ও ‘মাইনর’ শ্রেণিভুক্ত হওয়ায় কোনো জানমালের ক্ষতি না হলেও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল রাজকোটের উপলেতা শহরের উত্তর-পশ্চিমে, প্রায় ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার গভীরে।


বিশেষজ্ঞরা স্বল্প সময়ে এতগুলো কম্পনকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে উল্লেখ করেছেন। সাধারণত গুজরাটের কচ্ছ অঞ্চলে বেশি ভূমিকম্প হলেও রাজকোটে এই ধারাবাহিক কম্পন নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


ভারত ও পাকিস্তানে একযোগে ভূমিকম্পের এই ঘটনায় দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে ভূমিকম্প মোকাবিলায় সতর্কতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা আবারও সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া দপ্তরগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক রাখা হয়েছে।
সূত্র: ডন, ইন্ডিয়া টুডে

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *