Benjamin Netanyahu speaking at a press conference in Jerusalem denying death rumors

রূপসাটিভি/আন্তর্জাতিক ডেস্ক সম্প্রতি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর গুঞ্জনকে সরাসরি অস্বীকার করে প্রকাশ্যে এলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। জেরুজালেমে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বিরল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রথমেই বলেন, “আমি বেঁচে আছি—এবং আপনারা সবাই তা দেখছেন।”এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি গত কয়েকদিন ধরে চলা নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন। ৮ মার্চ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র…

মৃত্যুর গুঞ্জন ভেঙে প্রকাশ্যে নেতানিয়াহু, রাজনৈতিক বার্তাও স্পষ্ট

রূপসাটিভি/আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সম্প্রতি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর গুঞ্জনকে সরাসরি অস্বীকার করে প্রকাশ্যে এলেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। জেরুজালেমে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে এক বিরল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি প্রথমেই বলেন, “আমি বেঁচে আছি—এবং আপনারা সবাই তা দেখছেন।”
এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি গত কয়েকদিন ধরে চলা নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন। ৮ মার্চ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে—নেতানিয়াহু নিহত হয়েছেন।

যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ ছিল না, তবুও বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
গুজব আরও জোরালো হয় যখন তিনি একটি পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত না হয়ে ভিডিও কলে যোগ দেন এবং নিজের অবস্থান প্রকাশ করেননি। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করলে সেটি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়। নিম্নমানের সেই ভিডিওতে তার হাতে ছয়টি আঙুল দেখা গেছে বলে দাবি করেন অনেকে, এবং এটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি ভিডিও বলেও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
পরবর্তীতে গুজব থামানোর উদ্দেশ্যে Benjamin Netanyahu জেরুজালেমের উপকণ্ঠের একটি ক্যাফেতে কফি পান করার ভিডিও প্রকাশ করেন। তবে সেই ভিডিওও নতুন আলোচনার জন্ম দেয়, কারণ সেখানে উপস্থিত এক বারিস্তার হাসি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।


এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর Chris Van Hollen একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলেন, “না, নেতানিয়াহু মারা যাননি।” তার এই বক্তব্য গুজব প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গুজব খণ্ডনের জন্য ছিল না। এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চেয়েছেন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে Make America Great Again আন্দোলনের একটি অংশ থেকে যে সমালোচনা উঠেছে—ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়েছে—তা নিয়েও তিনি কথা বলেন।


নেতানিয়াহু এসব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “কেউ কি সত্যিই মনে করে কেউ প্রেসিডেন্টকে বলে দিতে পারে কী করতে হবে?” এখানে তিনি ইঙ্গিত করেন Donald Trump-এর দিকে, যিনি তার মতে সবসময় স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেন এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় করেন।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এক সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা Joe Kent দাবি করেছেন, ইসরাইলি কর্মকর্তারা ভুল তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করেছেন। এই অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *