Nahid Islam speaking about Khaleda Zia's role in protecting national sovereignty

দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন—এ মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রাম বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক শোকবার্তায়…

সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন খালেদা জিয়া নাহিদ ইসলাম

দেশ ও জাতির সার্বভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন—এ মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান ও সংগ্রাম বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।


মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক শোকবার্তায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার সাহসী নেতৃত্ব এ দেশের মানুষকে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের পথে দিকনির্দেশনা দিয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি কখনো আপসের পথে হাঁটেননি।


নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। সে সময় রাষ্ট্রীয় কাঠামো পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে তার নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়াকে একাধিকবার কারাবরণসহ নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম। তবে এসব বাধা সত্ত্বেও তিনি নিজের রাজনৈতিক আদর্শ ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে ছিলেন অবিচল। রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে তার অবস্থান ছিল স্পষ্ট ও দৃঢ়।


নাহিদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শুধু রাজনৈতিক দলকেন্দ্রিক নয়; বরং তা জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
তিনি শোক প্রকাশ করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ, ঘটনাবহুল ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। মহান আল্লাহর কাছে তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।


বিএনপি মিডিয়া সেলের তথ্যমতে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের আবহ বিরাজ করছে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *