"US sets 3 airports for Bangladeshi travelers with $15k visa bond; using other airports may cause bond refund issues.

বাংলার জনকণ্ঠ ডিজিটাল ডেস্ক | ৭ জানুয়ারি ২০২৬যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশিসহ কিছু দেশের নাগরিকদের ভিসা আবেদনের সময় ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত দিতে হবে। ভিসা বন্ড শর্তযুক্ত তালিকায় সাতটি দেশ যোগ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশের নাম যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। যুক্তরাষ্ট্রের…

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের জন্য তিন বিমানবন্দর নির্ধারণ, ভিসা বন্ড শর্ত প্রযোজ্য

বাংলার জনকণ্ঠ ডিজিটাল ডেস্ক | ৭ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশিসহ কিছু দেশের নাগরিকদের ভিসা আবেদনের সময় ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত দিতে হবে। ভিসা বন্ড শর্তযুক্ত তালিকায় সাতটি দেশ যোগ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দেশের নাম যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।


যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশিসহ নতুনভাবে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠোর হবে। এর পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের জন্য তিনটি নির্দিষ্ট বিমানবন্দর বরাদ্দ করা হয়েছে। বাংলাদেশিরা এখন শুধুমাত্র এই বিমানবন্দরগুলোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা দেশ ত্যাগ করতে পারবে।


এই বিমানবন্দরগুলো হলো:
বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS)
জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK)
ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)
যদি কেউ অন্য কোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা দেশ ত্যাগ করে, তাহলে তা ভিসা বন্ডের নিয়ম লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হবে।
ভিসা বন্ড কী?


ভিসা বন্ড হলো একধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে এটি নেয়, যাতে তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা, মেনে চলে। যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে অস্থায়ী নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে।


যদি কোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারী অনুমোদিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকে, তবে তা ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য হবে। বেশির ভাগ দেশই ভিসার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ থাকার প্রমাণ চায়। তবে ফেরতযোগ্য জামানত বা ভিসা বন্ডের ব্যবস্থা সব দেশ দেয় না।


পূর্বে নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যও কিছু উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড চালু করেছিল, কিন্তু পরে তা বাতিল করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এই উদ্যোগে বাংলাদেশিসহ তালিকাভুক্ত দেশের নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া ও যাত্রা কিছুটা কঠোর হবে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *