আবারও সংঘাতে জড়িয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। মঙ্গলবার রাতে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় দফায় দফায় গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতজুড়ে সীমান্তে একাধিকবার গোলাগুলির পাশাপাশি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সীমান্তের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে উভয় দেশই সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। যুদ্ধবিরতি ভেঙে পাল্টাপাল্টি এই সংঘাত চলায় পরিস্থিতি আরও…
আবারও উত্তপ্ত থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত, দফায় দফায় গোলাগুলি ও বিস্ফোরণ
আবারও সংঘাতে জড়িয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। মঙ্গলবার রাতে দুই দেশের সীমান্ত এলাকায় দফায় দফায় গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতজুড়ে সীমান্তে একাধিকবার গোলাগুলির পাশাপাশি বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সীমান্তের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে উভয় দেশই সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। যুদ্ধবিরতি ভেঙে পাল্টাপাল্টি এই সংঘাত চলায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সীমান্তবর্তী এলাকায়। নিরাপত্তার আশঙ্কায় বহু বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।
এর একদিন আগেই ব্যাংকক প্রশাসন জানিয়েছিল, যুদ্ধবিরতি পুনরায় কার্যকর করতে আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে বিবদমান দেশ দুটি। সেই লক্ষ্যেই বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) থাইল্যান্ডের চানথাবুরি প্রদেশে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বৈঠকের আগেই নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় কূটনৈতিক উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত জুলাই মাসে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে টানা পাঁচ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায় দেশ দুটি। সে সময় মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। চলতি মাসের শুরুতেই আবার সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয়, যাতে উভয় পক্ষেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা বাড়লে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হলেও সীমান্তজুড়ে এখনো টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

