Turkish President Recep Tayyip Erdoğan and U.S. President Donald Trump in a phone conversation discussing Venezuela and Gaza situations, bilateral relations, and defense cooperation."

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সোমবার (৫ জানুয়ারি) টেলিফোনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, বাণিজ্য, গাজা যুদ্ধ এবং ভেনেজুয়েলার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।এরদোয়ান জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন। তবে তিনি সতর্ক…

ভেনেজুয়েলা–গাজা পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প ও এরদোয়ানের ফোনালাপ

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে সোমবার (৫ জানুয়ারি) টেলিফোনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, বাণিজ্য, গাজা যুদ্ধ এবং ভেনেজুয়েলার চলমান পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
এরদোয়ান জানান, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার বিষয়েও কথা বলেছেন।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “কোনো দেশের জনগণের সার্বভৌমত্বে আঘাত এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করবে।” তিনি আরও বলেন, “ভেনেজুয়েলা যেন বিশৃঙ্খলা বা অস্থিতিশীলতার দিকে না যায়, তা নিশ্চিত করা জরুরি।”


এর আগে, কয়েক মাসের হুমকি ও চাপের পর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী গত শনিবার ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে হামলা চালিয়ে মাদুরো সরকারের পতন ঘটায়। পরে নিউইয়র্কের একটি আদালতে মাদুরো মাদক পাচারের অভিযোগে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। এরদোয়ান বলেন, “যখন আইনকে উপেক্ষা করে বলপ্রয়োগ প্রাধান্য পায়, তখন অস্থিতিশীলতা, সংকট ও সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে। আমরা তুরস্ক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ ভেনেজুয়েলার জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থে কাজ করার চেষ্টা করছি।”


এছাড়া, এরদোয়ান আশা প্রকাশ করেন যে যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করবে। ২০১৯ সালে রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্ককে এ কর্মসূচি থেকে বাদ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে ট্রাম্পের পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের মধ্যে এই বিরোধ সমাধানের ইঙ্গিত দেখা দিয়েছে। এরদোয়ান বলেন, “এফ-৩৫ কর্মসূচিতে তুরস্কের পুনঃঅন্তর্ভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়।”

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *