Russian ‘Orashnik’ ballistic missile system being transported during deployment in Belarus

বেলারুশে রাশিয়ার মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘ওরেশনিক’ মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশেষ এক অনুষ্ঠানে সেনা কর্মকর্তারা জাতীয় পতাকা উ ত্তোলন করছেন। একই সঙ্গে ভিডিওতে ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহনের দৃশ্যও তুলে ধরা হয়েছে।এর মধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নববর্ষের ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন…

বেলারুশে ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বিজয়ের দাবি পুতিনের

বেলারুশে রাশিয়ার মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ‘ওরেশনিক’ মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশেষ এক অনুষ্ঠানে সেনা কর্মকর্তারা জাতীয় পতাকা উ

ত্তোলন করছেন। একই সঙ্গে ভিডিওতে ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহনের দৃশ্যও তুলে ধরা হয়েছে।
এর মধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নববর্ষের ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেছেন, শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধে রাশিয়াই বিজয়ী হবে। ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ সেনাদের তিনি ‘আমাদের নায়ক’ আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।


২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর প্রায় চার বছর পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের চূড়ান্ত ফল এখনো অনিশ্চিত। একদিকে যেমন তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে, অন্যদিকে তেমনি শান্তি আলোচনার উদ্যোগও চলমান।
পুতিন তার ভাষণে বলেন,


“আমরা আপনাদের ওপর বিশ্বাস রাখি এবং আমাদের বিজয়ের ওপরও আস্থা রাখি।”
অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নববর্ষের ভাষণে জানিয়েছেন, তার দেশ শান্তি চায়, তবে কোনো দুর্বল বা আপসকামী শান্তিচুক্তি মেনে নেবে না। তিনি বলেন,
“আমরা যুদ্ধের অবসান চাই, কিন্তু ইউক্রেনের অবসান নয়। আমরা কি ক্লান্ত? অবশ্যই। কিন্তু তাই বলে কি আমরা আত্মসমর্পণ করব? যারা তা ভাবছেন, তারা গভীরভাবে ভুল করছেন।”


জেলেনস্কি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনার পর একটি শান্তিচুক্তির খসড়া প্রায় ৯০ শতাংশ প্রস্তুত হয়েছে। তবে বাকি ১০ শতাংশ বিষয়ই নির্ধারণ করবে শান্তির ভবিষ্যৎ, ইউক্রেন ও ইউরোপের ভাগ্য এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কোন পথে যাবে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *